এইবার আর আমি বল আনতে যাব না। তন্ময় বেশ ঝাঁঝের সাথেই বলে। এত জোরে লাথি মারলি? ফুটবল খেলব বল দূরে যাবেনা এটা হয় নাকি!
আচ্ছা আমি যাচ্ছি -ধীর পায়েই শিবম এগিয়ে যায়। রূপক, সঞ্জীব নদীর চরে বসে পড়ে। তন্ময় পা দিয়ে বালি ঘাটছে।
এতক্ষণ হয়ে গেল শিবম আসছে না কেন? বল খুঁজতে গিয়ে কি হারিয়ে গেল নাকি!
চার বন্ধু। সবাই একাদশ শ্রেণির ছাত্র। সবার বাড়ি কাছাকাছি। এক স্কুলে প্রথম দিন থেকেই একসাথে যায়। শিবম শান্ত প্রকৃতির। তন্ময় কথায় কথায় যুক্তি খোঁজে। রূপম খুব সাহসী। যে কোনো ঘটনাতেই এগিয়ে যায়। সঞ্জীব একটু আলসে প্রকৃতির। গরমের ছুটিতে চার বন্ধু বাড়ির কাছেই মনু নদীর চরে বেশ কয়েক বছর ধরে ফুটবল খেলে। কারোর বাড়িতে কোনো আপত্তি নেই। পড়াশোনা ঠিকঠাক করে। সবচেয়ে বড় কথা চারজনের বন্ধুত্বের কথা পাড়া, স্কুল ছাড়িয়ে অন্য পাড়াতেও উদাহরণ।
তিনজন একটু ব্যস্ত পায়েই এগিয়ে যায়। কিন্তু নদীটা যেখানে বাঁক নিয়েছে সে পর্যন্ত গিয়েও তারা শিবমকে দেখতে না পেয়ে চিৎকার করে ডাকতে থাকে। এদিকটায় লোকজন নেই। একদম ফাঁকা। নদীর বাঁকে একটা ঝোপ মত। এদিকটায় খুব একটা ওরা আসেনা। কিন্তু শিবম কোথায়? আবার চিৎকার করতেই শিবম ঝোপের ভেতর থেকে দৌড়ে বেরিয়ে এসে হাঁপাতে থাকে।
কি হয়েছে? তুই এদিকে কোথায় চলে এলি? বল কি এতদূর চলে এসেছে? রূপমের কথায় শিবম ইশারায় দেখায় ঝোপটা।
আরে কি হয়েছে? ঝোপে বল আটকে গেছে? আমি নিয়ে আসি।
শিবম সঞ্জীবের হাত ধরে টান দেয়। যেতে না করে। আরে কি হয়েছে? তুই মুখে বলবিনা আমরাও যাবো না এটা হয়না। নিশ্চয় কোন রহস্য আছে। মনু নদীতে এই সময় অনেকটা জল কম কচুরিপানা জমে আছে চারপাশে। কোথাও কোথাও ছোট ছোট জমা জল যেখান থেকে ধোয়ার মতো কুঁয়াশা উঠছে।
বাঁকটা দেখে শিবম আবার বলল চল যাই একটা কিছু আছে, বলটা কোথায় গেল।
নিচে নামতেই ওদের চোখে পড়লো কিছু অদ্ভুত জিনিস ঘাসের নিচে পাথরের মতো এক বিশাল গাঁথুনি। কি আশ্চর্য! এটা তো কোনদিন দেখিনি। দেখব কি করে? আমরা তো এখানে কোনদিন আসিনি। কিন্তু এটা কি? সঞ্জীব কিছু না বলে তড়তড় করে এগিয়ে যায়। সঞ্জীব হাঁটু মুড়ে বসে পড়ে তারপর বন্ধুদের দিকে তাকিয়ে বলে অপারেশন ঝরাপাতা। অপারেশন ঝরাপাতা বললেই তো আর অপারেশন শুরু করা যায় না। উপরের দিকের পাতাগুলো শুকনো থাকলেও যত পাতা তুলছে নিচে পচা পাতার গন্ধ নাকে লাগতেই সঞ্জীব ওয়াক শব্দ করেই বলে এর নীচে কি পচেছে কে জানে? কি বাজে গন্ধ। এই হাত দিয়ে ঘাটিস না, একটা বাঁশ দেখি পাই কিনা। তন্ময়ের কথা শেষ হতে না হতেই সঞ্জীব বলে হাতে পাথরের মতো কিছু শক্ত শক্ত লাগছে।
রূপম এগিয়ে গিয়ে হাঁটু মুড়ে বসে কি যেন দেখার চেষ্টা করে। এই শোন হাত না, চল চারজনে একসাথে লাফাই তাহলে উপরের পাতা সরে গেলেই দেখতে পাবো কি আছে। রূপমের কথাটা বাকিদের যুতসই মনে হতেই সঞ্জীব দাঁড়িয়ে উঠে ওয়ান টু থ্রি বলতেই চার বন্ধু লাফাতে শুরু করে। পাতা সরতেই একটা বড় পাথরের অংশ বেরিয়ে আসে। লাফানো থামিয়ে চার বন্ধু এক জন অন্য জনের মুখের দিকে তাকায়। চোখে ঝিলিক দেয় নতুন কিছু আবিস্কারের ঝলক। এই দিকটা দেখ বলে শিবম চিৎকার করে। সঞ্জীবের পেছনে অনেকটা দূরে একটা প্রকান্ড হেলে পড়া পাথর দেখায়। রূপম সঞ্জীবের পাশে সরে এসে বলল, এটা তো পাথরের দরজার মতো লাগছে! কি রে তোদের কি মনে হচ্ছে? এবার সবাই একসাথে পাথরের কাছে যেতেই পাথরটা যেন নড়ে উঠলো। এই পাথরটা কি নড়লো? পাথরটা নড়বে কি করে?
মনের ভুল? আমরা কি ভয় পাচ্ছি?
কভি নেহি। ভয় পাবো কেন?
কিন্তু অন্ধকার হয়ে আসছে।
আজ ফিরে যাই। কাল সকালে আসবো।
পাতাগুলো চাপা দিয়ে দেবো? না না। কে আসবে? কেউ আসেনি আগে।
এই বাঁকটা হয়তো আগে কেউ দেখেনি।
হয়তো বাঁকটা বেশি পুরানো নয়।
মাছ ধরতে নৌকা নিয়ে যারা যায়, তাদের চোখে পড়েনি বোধহয়। আচ্ছা আমরা এখন আর তর্ক না করে চল বাড়ি যেতে যেতে একটা প্ল্যান করি। তন্ময় শিবম, সঞ্জীব রূপম একমত হয়ে বাড়ির দিকে ফিরে চললো। বলের কথা ভুলে গিয়ে পাথরটা কোথা থেকে এলো তা নিয়ে গবেষণা করতে করতে বাড়ির পথে পা বাড়ায়। ঠিক হয় পরেরদিন ভোর ছটা নাগাদ সবাই আসবে। আর এই পাথরের কথা গোপন থাকবে।
তন্ময়, সঞ্জীব শিবম রুপম নিজেদের কল্পনা মত সারারাত নিজেদের মনের সঙ্গেই কথা বলল। গ্রুপ কল করলো নিজেদের মধ্যে। একটা শাবল নিয়ে যাবে কিন্তু বাড়িতে কি বলবে? তারপর সিদ্ধান্ত হলো তন্ময়ের বাড়ির শাবল তাদের সাথে যাবে। প্রত্যেকেই বাড়িতে ছোট মিথ্যে বলে রাখলো, আন্তঃস্কুল ফুটবলের সিলেকশন তাই সকালে মাঠে যাবে।
গন্তব্যের উদ্দেশ্যে বের হয়ে গ্রীষ্মের সকালের হাওয়ার সাথে পাল্লা দিয়েওরা পৌঁছে গেল। তন্ময়ের বাড়ির শাবল হাত বদল হয়ে এখন সঞ্জীবের হাতে। লম্বা পা ফেলে সঞ্জীব এগিয়ে যায়। কালকের তীব্র পাতা পচা গন্ধটা আরো ছড়িয়ে পড়েছে।
সঞ্জীব শাবলটা ঠুক ঠুক করতেই পাথরটা থেকে একটা আওয়াজ বের হলো। একটা ঠান্ডা বাতাসের ঢেউ এল ভেতর থেকে। সঞ্জীব বেশ জোরেই শাবলটা দিয়ে পাথরের গায়ে আঘাত করে। পাথরটা একটা দিকে উঠে যেতেই রূপম আর তন্ময় কাত হয়ে দেখার চেষ্টা করে। অন্ধকার। ভেতরে কিচ্ছুটি দেখার সুযোগ নেই। শিবম ফিসফিস করে বলল গুহা। নিশ্চয় সিঁড়ি আছে! গুহা? তিনজন একসাথে বলে উঠে। তাহলে তো দেখতে হয়। চল সবাই মিলে চেষ্টা করি। খুব সাবধানে। পা পিছলে যেন পড়ে না যাই, সেটা মনে রাখতে। হঠাৎ চোখের সামনে অন্ধকার গুহার মুখটা উন্মুক্ত হয়ে উঠল, প্রত্যেকের বুকের ভেতরটা যেন কাঁপতে লাগল অজানা রোমাঞ্চে। ভিতর থেকে ঠান্ডা বাতাসের ঝাপটা এসে ছুঁয়ে গেল তাদের মুখে, আর মনে হলো কেউ যেন নিচ থেকে নিঃশব্দে তাকিয়ে আছে। হঠাৎ ঝুপ করে একটা শব্দ। কে পড়ে গেল। রূপম থমকে দাঁড়িয়ে, নিঃশ্বাসও ফেলতে ভয় পাচ্ছে—তখনই নিচ থেকে সঞ্জীবের গলা, এই যে, দাঁড়িয়ে আছিস কেন? নেমে আয়, আমি নেমে পড়েছি। সঞ্জীব ঠিকঠিক বলছে কি? তন্ময় বলল কোড বল। তাহলে বুঝবো তুই সঞ্জীব। আরে তোদের পাশে আমি নেই, তাহলে আমি কোথায়? লাফ দে চল বন্ধু চল। আরে সঞ্জীব তো না বলে ঝুপ করে নেমে গেল। সঞ্জীব মোবাইলের টর্চ জ্বালাতেই রূপম, তন্ময়, শিবম দেখল সঞ্জীব পুরো মাকড়শার ঝুলে লেপ্টে আছে। আয় এদিকে। দেখ একটা সরু টানেল মতো। টর্চের আলোয় দেখা গেল এক সরু টানেল। দেয়ালগুলো পাথরকাটা, কিন্তু অনেক পুরোনো। ওরা ভেতরে ঢুকল। একটু এগিয়ে যেতেই একটা বড় জায়গা সেখান থেকে চারদিকে ছড়িয়ে আছে আরও অনেক টানেল! রূপম হিসেব করে বলল, এক, দুই, তিন আরে, কতগুলো পথ!
তন্ময় টর্চ ঘুরিয়ে বলল, এ যেন একটা গোলকধাঁধা! একটু একটু করে হাঁটু গেড়ে তারা সঞ্জীবের পেছন পেছন এগুনোর চেষ্টা করছে। কেমন ভেজা ভেজা একটা বাজে গন্ধ। শিবম ভয় পেয়ে বলল কোথায় যাচ্ছি? এখান থেকে বের হব কি করে? ভয় পাসনা। বের হব ই। একটু হাঁটু মুড়ে এগিয়ে যাই, যদি রাস্তা পাই ভালো, নাহলে যেভাবে ঢুকলাম, সেদিক দিয়ে বের হয়ে যাবো।
চারজন এগুচ্ছে কিন্তু ভয়ে প্রত্যেকের গলা শুকিয়ে গেছে। শিবমের কান্না পাচ্ছে। অনেকটা এগিয়ে গিয়েও কিছু ঠাহর করতে পারলো না সঞ্জীব। চল ফিরে যাই বলতেই তন্ময় বলে আরে দেখ এপাশে আরেকটা টানেলের মতো। চল ওদিকে যাই। তোরা যা আমি এখানেই থাকবো। এই যে বাচ্চা, এমন করলে চলবে না। যা হবে চারজন মিলে একসাথে এগুবো। আরে দেখ এটা কি? তন্ময় হামাগুড়ি দিয়ে এগিয়ে যায়, সঞ্জীব মোবাইলের আলো ফেলতেই দেখে সাপের খোলস। রূপম ঘাড় ঘুরিয়ে দেখতে গিয়ে মাথায় কিছু একটা শক্ত জিনিসের ধাক্কা খায়। উফ বলে সরে যেতেই দেখে একটা লম্বা লোহার রড। এমা এটা কি, তন্ময় হাতের শাবলটা দিয়ে খোঁচাতে থাকে। খোঁচাখুঁচির মধ্যে লোহার রডটা নিচে পড়ে যায়। আরে এটা আবার কি?
মনে হচ্ছে ত্রিশূল। ত্রিশূল? ত্রিশূলটা চারজন ই ভালো করে দেখে। উফ এই গুহা টা যারা বানিয়েছিল একটু চওড়া করে বানালে আমরা সবাই বসে একসাথে দেখতে পারতাম। শিবম মাঝে মাঝে এমন কথা বলে ভয়ের মধ্যেও বন্ধুরা মজা পায়। একদম ত্রিশূল। এবং অনেক পুরোনো। কেমন জং ধরে গেছে।
তাঁর মানে এখানে কেউ থাকতো। কোন সাধু হয়তো। গল্প শুরু হয়ে গেল তন্ময়? তারপর বল পাদুকার কি হয়েছিল ত্রিশূল দেখে বোঝা যাচ্ছে কিছু? পাদুকা এলো কোথা থেকে?
ত্রিশূল থাকলে পাদুকা থাকতেই পারে।
এই কথা বন্ধ করে এগিয়ে চল। রূপম গম্ভীর গলায় বললো। ত্রিশূল টা নেবো না? না এখন নেবো না। কেমন চামচিকের গন্ধ। আঁশটে গন্ধে গা গুলিয়ে যাচ্ছে। শোন আমরা বুঝতে পারছিনা অন্ধকার বলে। আজ আমাদের ফিরে যাওয়া উচিত। কাল একটু প্ল্যান করে এসে গুহার শেষ দেখতে যেতে হবে।
আজ চল ফিরি। এখন কিন্তু কাউকে কিছু বলবোনা। রূপমের কথা সবাই মেনে নিয়ে যেভাবে ঢুকেছিল ফিরতে শুরু করে। কিছুটা হামাগুড়ি, কিছুটা গড়িয়ে ওরা এসে যেখানে নেমেছিল সেখানে দাঁড়ায়। এবার উঠবো কি করে ধার গুলোতো সোজা। ভাবছি। সঞ্জীব মোবাইলের টর্চটা জ্বালিয়ে বলে দেখ এবড়ো-খেবড়ো কোন জায়গা দেখা যায় কিনা। এদিকে আলোর দিকে আমরা বের হবো। তন্ময় গুহার দেওয়ালে হাত ঘসে ঘসে দেখছিল কতটা শক্ত। আরে এই দেখ এখানটায় তিনটে খাঁজ। এদিক দিয়ে ওঠা যায় কিনা দেখি। তন্ময় একটা একটা খাঁজ পেরিয়ে একটা পায়ে ভর দিয়ে উপরে তাকাতেই দেখল অনেক গ্যাপে এমন খাঁজ আছে। শিবম তুই উঠে আয়। শিবমের চোখে জল। ভয়ে সিটিয়ে আছে। নীচ থেকে সঞ্জীব দাঁড়িয়ে বলল আমার ঘাড়ে পা রেখে উঠে যা। তন্ময়ের পায়ের দিকে নজর রেখে উঠবি। এরপর রূপম আর সঞ্জীব। একে একে সবাই গুহার মুখে পৌঁছল। বাইরে এসে তারা নিজেদের দেখলো। গলা জড়িয়ে বললো। আমরা বেঁচে আছি। আচ্ছা কি ভয়ংকর।
এবার ভাবতে হবে। বাড়িতে তো ভাবছে কোথায় আমরা। এরমধ্যেই সঞ্জীবের মোবাইলে রিঙ। একটা অচেনা নম্বর থেকে কল। এটা কার নম্বর?
আচ্ছা দেখি। বলে সঞ্জীব রিসিভ করে।
কে বলছো? এই তোর কাছে আমার নম্বর নেই? আমি তোদের স্কুলের ভুগোল স্যার। স্যার আপনি। ঝুঁকে প্রণাম করতে যায় দেখে বন্ধুরা হেসে উঠে, তুই কাকে প্রণাম করছিস। সঞ্জীব ইশারা করে।
আচ্ছা স্যার, আচ্ছা স্যার বলে তোতলাতে থাকে। ঠিক আছে স্যার বলে ফোন টা রেখে বলে, একেই বলে মেঘ না চাইতে জল। মানে তিন মাথা কৌতূহলে বলে।
সব বলবো। চল বাড়ি যাই স্নান খাওয়া সেরে তিনটায় রাধাগোবিন্দ মন্দিরের নাটমন্দিরে যেতে হবে। স্যারের কি দরকার। বলেছেন যেতে। তোরা যাবি তো?
পা কেটেছে দ্যাখ। শিবম রূপমের পায়ের গোড়ালি দেখিয়ে বলে। রূপম টের পাসনি? এখুনি কাটলো বোধহয়।
তিন বন্ধু ঝুকেঁ পায়ের ক্ষত দেখে। তন্ময় পাশেই জঙ্গল থেকে কচুর ডগা ছিঁড়ে নিয়ে থেঁতো করে রস লাগিয়ে দেয়। একটু দাঁড়া। রক্ত বন্ধ হোক তারপর যাবো।
আচ্ছা, এই গুহাটার শেষ কোথায়, কে বানিয়েছিল এগুলো জানা দরকার।
সব সব হবে। রণিতা দিদিমণি উনকোটির পাহাড় নিয়ে অনেক পড়াশোনা করেছেন। একটা টিম ও আছে। তারা পাহাড়ে ঘুরে বেড়ায়। এই চুপ বাইরের কারো সাথে এখন কোন কথা নয়। শুধু স্যারের সাথে কথা বলবো। তারপর যা করার।
সঞ্জীবের কথা মেনে নেয় বাকিরা। রক্ত বন্ধ হয়ে গেছে। এবার চল।
কিন্তু তোরা ওদিকে বের হবার পথ আছে ভাবছিস কেন? যতটুকু গেছিস, হয়তো ঔইটূকুই।
না স্যার অনেক মুখ। পাথরের চাঁই নেমে এসেছে।
তাহলে তো তোরা আবিষ্কার করে ফেলেছিস কি আছে? রাজবাড়ী? মন্দির? কি পেলি?
স্যার, একটা কিছু আছে! এতদিন কেন কেউ খোঁজ পায়নি। মনু নদী ও দিকে ঘুরে বাংলাদেশে গেল। এই বাঁকটা এত জঙ্গলে ভরা। কেউ কি যায়নি?
স্যার এখানে যে অনেকে বলে পুরানো রাজবাড়ি ছিল, সেটা কোথায় ছিল? কবে ছিল?
তোরা কি স্কুল ফুটবল ছেড়ে এখন এইসব নিয়ে মাতবি?