| |
গভীর রাতের আঁধারে- একখানা প্রদীপ জ্বলে
একমনে বই পড়ে। সামনের দেওয়ালে
তারই দিকে চেয়ে স্নেহভরে। বিধবা মা পাঁচ বাড়ি
রান্নার কাজ করে, কাছে দূরে, মায়ে পোয়ে থাকে
এক চিলতে মাটির ঘরে। ভোরবেলায় অরুণ
ভাড়া করা এক সাইকেল চড়ে– বাড়ি বাড়ি কাগজ বিলির পরে
ঘরে ফিরে- স্নান সেরে, যাহোক কিছু
তাড়াতাড়ি মুখে পুরে- পিঠের ব্যাগে যত্ন করে
বইখাতা,পেন্সিল বক্স ভরে, দুদ্দাড়িয়ে ছোটে
গ্রামের আঁকাবাঁকা পথ ধরে, সরকারি স্কুলের পানে
তড়িঘড়ি করে। মনে অদম্য জেদ থাকলে
মানুষ বুঝি সবই পারে! মেধাবী অরুণ ধীরেধীরে বড় হয়
শিক্ষকদের আদরে। ক্রমে সে-ই বালক পৌঁছায়
আঠেরো বছরে- রাজ্যের পরীক্ষায় সর্বপ্রথম হয়ে
সবার নজর কাড়ে। কাগজে টেলিভিশনে তার
একান্ত সাক্ষাৎকারে– হতদরিদ্র জেদি ছেলের
|