দেশের অন্য কোথাও চোখে পড়েনি ধুপ গাছ। ক্যমেরায় ছবি তুললাম
গাছের। সেই গাছের কথা বলতেই এই লেখা।
ধুপ, ধুনো দুটি আলাদা
কথা। অনেক সময়ই উচ্চারণ করা হয় এক সঙ্গে। ধুপ ধুনো পোড়ালে সুগন্ধি ধোঁয়া বের
হয়। পুজো আর্চায় ধুপধুনো ব্যবহার হয় খুব। বহু বাড়িতে ধুপকাঠি জ্বালানো হয়।
ধর্মীয় কাজ ছাড়াও অ্যারোমাথেরাপিতে, পরিবেশ শুদ্ধ
করতে ব্যবহার করা হয়। বিভিন্ন ধরণের ধুপ বাজারে কিনতে পাওয়া যায়। কাঠি কিংবা লাঠি
(স্টিক) আকারে। অথবা গুঁড়ো অবস্থায়। জ্বালালে দুটো থেকেই সুগন্ধ বের হয়।
আদতে ধুনো এক ধরনের গাছের আঠা (রেসিন)। চিরসবুজ পরিবারের (Burseraceae) সেই গাছ। গাছগুলো খুব লম্বা (২৫-৩০ মিটার) এবং
চওড়াও। দুই আড়াই মিটার বেড়। গাছের বাকল (ছাল) বেশ পুরু, ধূসর রঙের। গাছের ছালে মিষ্ট গন্ধ পাওয়া যায়।
গরমকালে গাছের ডালের লাল ফুল ফোটে।
ধুনো গাছের বীজ থেকে তেল পাওয়া যায়। খুব দামী সেই তেল
আয়ুর্বেদ চিকিৎসায় ব্যবহার হয়। আমাদের দেশের বেশীর ভাগ ধুপ গাছ কালো ধুপ (Canarium strictum) বলেই পরিচিত। বাংলাদেশ, মায়ানমার, শ্রীলঙ্কা, ইন্দোনেশিয়াতেও পাওয়া যায় ধুপ গাছ।