akkharbarta

অক্ষরবার্তা - একটি কিশোর বার্তা উদ্যোগ... আমাদের মূল লক্ষ্য উচ্চ মানের বই পাঠকের হাতে পৌঁছে দেওয়া... যোগাযোগ করুন - akkharbarta@gmail.com | www.akkharbarta.in

জ্ঞান বিজ্ঞান । বৈশাখ ১৪৩৩




গুঁড়ো ধুপ

ধুপ- ধুনো












ড. সৌমিত্র চৌধুরী

কলকাতা, পশ্চিম বঙ্গ

 

বেড়াতে গিয়ে দেখতে পেয়েছি গাছটিকে। ধুপ গাছ। ব্যাঙ্গালোরে ব্যানারহাট জাতীয় উদ্যানে। অনেক ধরণের জীবজন্তু দেখতে পেলাম সেখানে, সঙ্গে ধুপ গাছ।

দেশের অন্য কোথাও চোখে পড়েনি ধুপ গাছ। ক্যমেরায় ছবি তুললাম গাছের। সেই গাছের কথা বলতেই এই লেখা।   

ধুপ, ধুনো দুটি আলাদা কথা। অনেক সময়ই উচ্চারণ করা হয় এক সঙ্গে। ধুপ ধুনো পোড়ালে সুগন্ধি ধোঁয়া বের হয়। পুজো আর্চায় ধুপধুনো ব্যবহার হয় খুব। বহু বাড়িতে ধুপকাঠি জ্বালানো হয়। ধর্মীয় কাজ ছাড়াও অ্যারোমাথেরাপিতে, পরিবেশ শুদ্ধ করতে ব্যবহার করা হয়। বিভিন্ন ধরণের ধুপ বাজারে কিনতে পাওয়া যায়। কাঠি কিংবা লাঠি (স্টিক) আকারে। অথবা গুঁড়ো অবস্থায়। জ্বালালে দুটো থেকেই সুগন্ধ বের হয়।  

আদতে ধুনো এক ধরনের গাছের আঠা (রেসিন)। চিরসবুজ পরিবারের (Burseraceae) সেই গাছ। গাছগুলো খুব লম্বা (২৫-৩০ মিটার) এবং চওড়াও। দুই আড়াই মিটার বেড়। গাছের বাকল (ছাল) বেশ পুরু, ধূসর রঙের। গাছের ছালে মিষ্ট গন্ধ পাওয়া যায়। গরমকালে গাছের ডালের লাল ফুল ফোটে

ধুনো গাছের বীজ থেকে তেল পাওয়া যায়। খুব দামী সেই তেল আয়ুর্বেদ চিকিৎসায় ব্যবহার হয়। আমাদের দেশের বেশীর ভাগ ধুপ গাছ কালো ধুপ (Canarium strictum) বলেই পরিচিত। বাংলাদেশ, মায়ানমার, শ্রীলঙ্কা, ইন্দোনেশিয়াতেও পাওয়া যায় ধুপ গাছ। 

গাছ থেকে পাওয়া একধরনের আঠার নাম ধুপ। কোন্‌ রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে তৈরি? মূলত এক ধরণের ট্রাইটারপিন, বসওয়েলিক অ্যাসিড (Boswellic acid)বিভিন্ন অসুখে ব্যবহার হয় এই যৌগ।


ধুপ গাছ (লেখকের ক্যামেরায়)

সূচিপত্র




 

আরও পড়ুন  -

 

মুজ, দশাসই এক অদ্ভুত প্রাণী

পোকামাকড়ের অ্যান্টেনা

গাছের ভাষা

জোনাকি জ্বলে মিটিমিটি

খুব ছোট ক্ষমতায় সূর্যেরও বেশী

গলগি

বোতল ব্রাশ

ফুলের কেন এত রঙ

ডাকটিকিটে নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী ...

প্রকৃতির ফাঁদ

বিজ্ঞান দিবস ও ভারতের নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী

হাড়গিলা কি বিলুপ্ত পাখি

মাইক্রোবায়োলজি আর মাইক্রোস্কোপ

রহস্যে মোরা গিরগিটি

হাঁস নিয়ে অন্য কথা



সূচিপত্র